Showing posts with label Blog. Show all posts
Showing posts with label Blog. Show all posts
আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগের ঘটনা। কেমন ছিলা তখনকার ইউনিভার্স.? 😶😶 আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী নামক গ্রহটির আকৃতি পায়। তারপর, অনেক সংঘর্ষ। শূন্যে ভাসমান থাকার পর হঠাৎ একদিন পৃথিবী নামক এই গ্রহটির জন্ম হয়। তখন এতটা পরিপূর্ণ ছিলোনা, যতটা পরিপূর্ণ এখন। তখন সব কিছুর সৃষ্টি হলেও, অপূর্ণতার ছোঁয়া ছিলো সব কিছুর মধ্যেই।😃😃 যার জন্য পৃথিবী নামক গ্রহটিকে গ্রাস করার জন্য হাজির হয়, জ্বীন, ইলভেস, শয়তান।😞😞 তারপর সমস্যায় পরে যায় অন্যান্য প্রানীগুলো। ডাইনোসর, অ্যাল্লোসরাস, বলতে গেলে পুরো ডায়পসিডশ্রেনী। তখন এই গ্রহটিকে খুশি রাখার জন্য শুরু হয় প্রানীগুলোর অভিনয়। আবার, মাঝে-মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ, ভুমিকম্প। তখন তো পুরোই বিরক্তিতে পরে যায় ডায়াপসিড শ্রেনী। তার মধ্যেও কিছৃও ডাইনোসর ভুমিকম্প বন্ধের জন্য, করে যায়, হাজারো চেষ্টা, প্রার্থণা। তারপর হঠাৎ ভূমিকম্প বন্ধ, পরিবেশ থমথমে, সবাই খুশি। এভাবেই আস্তে-আস্তে গ্রহটির অপুর্নতার টুকরোগুলো পরিপূর্ণতার ছোঁয়া পেতে থাকে। অক্সিজেন, পাথর, সায়নোব্যাকটেরিয়া, বরফ ইত্যাদি ইত্যাদি। এভাবেই চলে কয়েক বিলিয়ন বছর। অবশেষে, যখন থেকে গ্রহটির মোটামুটি পরিপূর্ণতা লাভ করে, ঠিক তখনই সৃষ্টি হয় পাশের গ্রহগুলোর (থিয়ার) সাথে সংঘর্ষ।👊👊 তখন থেকে সুন্দর পরিবেশের সাথে মিলে-মিশে সৃষ্টি হয় সৌন্দর্যের পরিপূর্ণতা। 🌉🌇🌎 কোনো কিছুই প্রকৃতির নিয়মে পরিপূর্ণতা থাকেনা। যার জন্য, পরিপূর্ণতা পাওয়ার সাথে-সাথেই শুরু হতে থাকে অপূর্ণতার। অবশেষে বিলুপ্ত হতে থাকে ডায়াপসিডগুলো। 😫😫 ডাইনোসর বিলুপ্ত হওয়ার পরই সৃষ্টি হয় ইতিহাস। যা সব বলতে গেলে (সাতকাহন) হয়ে যাবে। 😎😎অবশেষে, পৃথিবীর বিলুপ্তির সময়ও ঘনিয়ে আসে। কারন, আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি করা সুন্দর পরিবেশ আর সৌন্দর্যের মাঝেই সৃষ্টি হয় হাজার সমস্যা আর হাজার বিপদ। ভয়ে থাকতে হয় সবসময়। কখন জানি মৃত্যুর ঘন্টা বাজে। পার হলো এই গ্রহটির আরেকটি বছর। হারালাম অনেক কিছু। জীবন থেকে হারিয়ে গেলো আরেকটি বছর। পরিশেষে, কাছের মানুষগুলোর শুভেচ্ছা নিয়েই মহা-খুশি।😍😍 ০৪/০৯/২০১৯.🙈🙈
বাড়িওয়ালার
শর্তাবলী..😂😂
# কোনো বন্ধু রুমে নিয়ে আসা যাবেনা।
# কোনো অতিথিও না।
# কোনো মেয়ে বন্ধুও না।
# কোনো ছেলে বন্ধুও না।
# নিজের আপন ভাইও আসতে পারবেনা।
# নিজের আব্বু-আম্মুও যদি দেখা করতে আসে, তাহলে বাড়িওয়ালার বাসায় থাকতে হবে। 😠😠
# ৬ জন লোক ঘর ভাড়া হবেনা।
# ৫ জনের বেশি ফ্লাটে থাকা যাবেনা।
# কেউ যদি এমার্জেন্সী দেখা করতে চায়, বাসার নিচে দেখা করে চলে যেতে হবে।
# কোনো অতিথি ইমার্জেন্সি যদিও আসে, তাহলে মালিকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। তারপর সে নিচে গিয়ে যাচাই বাচাই করে দেখবে। যদি মনে হয়, লোক সুবিধার নয়, তাহলে গেটের বাহিরে থেকেই (গো)..😂😂
# যদিও কোনোদিন ছেলে বন্ধু অনুমতি পেতে পারে সুবিধার মনে হলে। কিন্তু মেয়ে বন্ধুও না, মেয়ে বন্ধুর বান্ধবীও না।😂😂
# রুমে গান বাজানো যাবে না।😫😫
# যদিও গান বাজাই তাহলে, খুব অল্প সাউন্ড। 😠😠
# ১১: ৩০ ফ্লাটের মেইন গেইট বন্ধ। তাও আবার গেইট ২টা। আর ২টায়ই তালা দেওয়া থাকবে।
# গেইট খুলবে সকাল ৬টা।
# ১০ তারিখের মধ্যে ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
# রুমের সকলের জাতীয় পরিচয় পত্র, সাথে নিজের ছবিও জমা দিতে হবে।
# ঘরের কোনো কিছু ভেঙ্গে গেলে বা নষ্ট হলে জরিমানা দিতে হবে। 😑😑
# রুম ছাড়ার ২মাস আগে নোটিশ দিতে হবে।
# দরজায় টোকা দেওয়া যাবেনা। ✊✊
# দরজায় কলিংবেল লাগাতে হবে।
# সিরি দিয়ে আস্তে আস্তে নামতে হবে।
আরে ভাই, ব্যাচেলর লাইফে তো এটা পুরাই একটা প্যারা ভাড়া করলাম।
মেয়েদের হোস্টেলেও এত নিয়ম নাই।
তাদের হোস্টেলে ছেলেরা যেতে পারবেনা, তবে মেয়েরা যেতে পারে।
আর আমরা ছেলেদের রুমে ছেলেরাও আসতে পারবেনা।
ভাই, কেউ কি জানেন মোঙ্গল গ্রহে ঘর ভাড়া দেয় কিনা..?
তাহলে সেখানে চলে যাবো।
# কোনো বন্ধু রুমে নিয়ে আসা যাবেনা।
# কোনো অতিথিও না।
# কোনো মেয়ে বন্ধুও না।
# কোনো ছেলে বন্ধুও না।
# নিজের আপন ভাইও আসতে পারবেনা।
# নিজের আব্বু-আম্মুও যদি দেখা করতে আসে, তাহলে বাড়িওয়ালার বাসায় থাকতে হবে। 😠😠
# ৬ জন লোক ঘর ভাড়া হবেনা।
# ৫ জনের বেশি ফ্লাটে থাকা যাবেনা।
# কেউ যদি এমার্জেন্সী দেখা করতে চায়, বাসার নিচে দেখা করে চলে যেতে হবে।
# কোনো অতিথি ইমার্জেন্সি যদিও আসে, তাহলে মালিকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। তারপর সে নিচে গিয়ে যাচাই বাচাই করে দেখবে। যদি মনে হয়, লোক সুবিধার নয়, তাহলে গেটের বাহিরে থেকেই (গো)..😂😂
# যদিও কোনোদিন ছেলে বন্ধু অনুমতি পেতে পারে সুবিধার মনে হলে। কিন্তু মেয়ে বন্ধুও না, মেয়ে বন্ধুর বান্ধবীও না।😂😂
# রুমে গান বাজানো যাবে না।😫😫
# যদিও গান বাজাই তাহলে, খুব অল্প সাউন্ড। 😠😠
# ১১: ৩০ ফ্লাটের মেইন গেইট বন্ধ। তাও আবার গেইট ২টা। আর ২টায়ই তালা দেওয়া থাকবে।
# গেইট খুলবে সকাল ৬টা।
# ১০ তারিখের মধ্যে ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
# রুমের সকলের জাতীয় পরিচয় পত্র, সাথে নিজের ছবিও জমা দিতে হবে।
# ঘরের কোনো কিছু ভেঙ্গে গেলে বা নষ্ট হলে জরিমানা দিতে হবে। 😑😑
# রুম ছাড়ার ২মাস আগে নোটিশ দিতে হবে।
# দরজায় টোকা দেওয়া যাবেনা। ✊✊
# দরজায় কলিংবেল লাগাতে হবে।
# সিরি দিয়ে আস্তে আস্তে নামতে হবে।
আরে ভাই, ব্যাচেলর লাইফে তো এটা পুরাই একটা প্যারা ভাড়া করলাম।
মেয়েদের হোস্টেলেও এত নিয়ম নাই।
তাদের হোস্টেলে ছেলেরা যেতে পারবেনা, তবে মেয়েরা যেতে পারে।
আর আমরা ছেলেদের রুমে ছেলেরাও আসতে পারবেনা।
ভাই, কেউ কি জানেন মোঙ্গল গ্রহে ঘর ভাড়া দেয় কিনা..?
তাহলে সেখানে চলে যাবো।
তারপর
অন্য কাহিনী- বাসায় ঢুকার পরের দিনই বন্ধু কল দিয়ে। দোস,
আমি ঢাকায় যাবো, গিয়ে তোর রুমে কিছুক্ষণ থাকবো। হঠাৎ মাথায় বাড়ি, না বলতেও পারিনা।
বললাম সমস্যা নাই, আসিছ।
সে আসলো, বাড়িওয়ালা তো আগেই বাসায় ঢুকার দিন তার সব শর্ত বলে গেছে।
এখন কি করি..? বাড়িতে ৪টা (সি.সি.) ক্যামেরা।
কেউ ঢুকলেও সে দেখবে। (BC) ২৪ ঘন্টা ক্যামেরার সামনে বইসা থাকে।
গেলাম বাড়িওয়ালার বাসায়।
আমি- আংকেল, আমার এক বন্ধু ইমার্জেন্সি একটু ঢাকাতে আসছে, আবার দুপুরেই চলে যাবে।
আপনি তো গতকাল বলছিলেন কাউকে নিয়ে আসা যাবেনা। তারপরও, আজকে যদি একটু সেক্রিফাইজ করেন। আর কোনোদিন কোনোদিন কেউ আসবেনা।👏👏
বাড়িওয়ালা- পুরাই আগুন,🔥🔥 আমি বুজতে পারছি।
আমি- আংকেল, সে নিচে দাড়িয়ে আছে। আপনি অনুমতি দিলে নিয়ে আসবো। আর না বললে সে চলে যাবে।
বাড়িওয়ালা- কিছুক্ষণ থাকলে নিয়ে আসো।
এর মধ্যে অনেক কাহিনী ঘটছে, যেটা বন্ধু নিজ চোক্ষে দেখিয়াছে। Md Abid Sumon..
সুমনকে নিয়ে রুমে ঢুকার ২০ মিনিট পর আরেক বন্ধু কল দিয়ে আমি তোর বাসার নিচে! আল্লাহ, আমি মইরা যামু।🙆🙆
সে- সমস্যা কি..?
আমি- বন্ধু, আমি জেলখানায় আছি। বিশাল কাহিনী, তবে তোকে নিয়ে রুমে যাওয়া যাবেনা
তারপর নিচে গিয়ে তার সাথে কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে, তার কাছে মাফ চেয়ে বললাম বন্ধু তোকে নিয়ে রুমে যাওয়া যাবেনা। তুই চলে যা। বিকালে দেখা করবো।
সে চলে গেলো, Arh Alamin.
তারপর দুপুর ৫টায় আরেক বন্ধুর কল। তখন আমরা ঘুরতে বের হইছি। সাথে সকালের ২বন্ধু।
কল ধরার পর।
বন্ধু তোর রুমে রাতে একটু থাকা যাবে..?
আল্লাহ, সত্যিই মনে হয় আমি মইরা যামু।
বন্ধু, বিশাল কাহিনী। তার সাথে তখন দেখা করে সব খুলে বললাম।
সে ছিলো, Kawser MirZa.
পরের দিন আরেক বন্ধু।
সকালে বন্ধু, আমার বাসায় নেট চলে গেছে। আমি তোমার বাসায় একটু আসতেছি। অনলাইনে একটু কাজ আছে। আরে নাহ। রুমে কাউকে নিয়ে আসা যাবেনা। তুমি আসা লাগবে না। আমি আসতেছি। সে ছিলো, সাকিব।
তারপর, আবার বিকালে।
বন্ধু তোর নতুন বাসায় আসতেছি।
আমি- এই না। বন্ধু নতুন বাসায় কাউকে নিয়ে আসা যাবেনা। আমি তোর সাথে দেখা করতে আসবো।
রবিউস্ সানি মানিক।
সে আসলো, বাড়িওয়ালা তো আগেই বাসায় ঢুকার দিন তার সব শর্ত বলে গেছে।
এখন কি করি..? বাড়িতে ৪টা (সি.সি.) ক্যামেরা।
কেউ ঢুকলেও সে দেখবে। (BC) ২৪ ঘন্টা ক্যামেরার সামনে বইসা থাকে।
গেলাম বাড়িওয়ালার বাসায়।
আমি- আংকেল, আমার এক বন্ধু ইমার্জেন্সি একটু ঢাকাতে আসছে, আবার দুপুরেই চলে যাবে।
আপনি তো গতকাল বলছিলেন কাউকে নিয়ে আসা যাবেনা। তারপরও, আজকে যদি একটু সেক্রিফাইজ করেন। আর কোনোদিন কোনোদিন কেউ আসবেনা।👏👏
বাড়িওয়ালা- পুরাই আগুন,🔥🔥 আমি বুজতে পারছি।
আমি- আংকেল, সে নিচে দাড়িয়ে আছে। আপনি অনুমতি দিলে নিয়ে আসবো। আর না বললে সে চলে যাবে।
বাড়িওয়ালা- কিছুক্ষণ থাকলে নিয়ে আসো।
এর মধ্যে অনেক কাহিনী ঘটছে, যেটা বন্ধু নিজ চোক্ষে দেখিয়াছে। Md Abid Sumon..
সুমনকে নিয়ে রুমে ঢুকার ২০ মিনিট পর আরেক বন্ধু কল দিয়ে আমি তোর বাসার নিচে! আল্লাহ, আমি মইরা যামু।🙆🙆
সে- সমস্যা কি..?
আমি- বন্ধু, আমি জেলখানায় আছি। বিশাল কাহিনী, তবে তোকে নিয়ে রুমে যাওয়া যাবেনা
তারপর নিচে গিয়ে তার সাথে কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে, তার কাছে মাফ চেয়ে বললাম বন্ধু তোকে নিয়ে রুমে যাওয়া যাবেনা। তুই চলে যা। বিকালে দেখা করবো।
সে চলে গেলো, Arh Alamin.
তারপর দুপুর ৫টায় আরেক বন্ধুর কল। তখন আমরা ঘুরতে বের হইছি। সাথে সকালের ২বন্ধু।
কল ধরার পর।
বন্ধু তোর রুমে রাতে একটু থাকা যাবে..?
আল্লাহ, সত্যিই মনে হয় আমি মইরা যামু।
বন্ধু, বিশাল কাহিনী। তার সাথে তখন দেখা করে সব খুলে বললাম।
সে ছিলো, Kawser MirZa.
পরের দিন আরেক বন্ধু।
সকালে বন্ধু, আমার বাসায় নেট চলে গেছে। আমি তোমার বাসায় একটু আসতেছি। অনলাইনে একটু কাজ আছে। আরে নাহ। রুমে কাউকে নিয়ে আসা যাবেনা। তুমি আসা লাগবে না। আমি আসতেছি। সে ছিলো, সাকিব।
তারপর, আবার বিকালে।
বন্ধু তোর নতুন বাসায় আসতেছি।
আমি- এই না। বন্ধু নতুন বাসায় কাউকে নিয়ে আসা যাবেনা। আমি তোর সাথে দেখা করতে আসবো।
রবিউস্ সানি মানিক।
এতদিন
সবাই আসতো ৪-৫ দিন
পরপর।
আর এখন ১দিনেই সবাই আসতে চায়।
লেখার উদ্যেশ্য, যারা আমার রুমে আসতে চায়। তারা জেনো বুজতে পারে আমি কি সমস্যায় ভুগতেছি। আর কেনো না বলি।
আর এখন ১দিনেই সবাই আসতে চায়।
লেখার উদ্যেশ্য, যারা আমার রুমে আসতে চায়। তারা জেনো বুজতে পারে আমি কি সমস্যায় ভুগতেছি। আর কেনো না বলি।
রবিউস্
সানি মানিক, Arh Alamin, Suvandu
Debnath, সাকিব। তোরা আমার কাছে। পূর্বে একা ভালো না লাগলে তোদের
ডাকতাম। রুমে নিয়ে আসতাম।
কিন্তু এখন তোরা চাইলেও আর নিয়ে আসতে পারবোনা। এইজন্য সরি।
কিন্তু এখন তোরা চাইলেও আর নিয়ে আসতে পারবোনা। এইজন্য সরি।
তুমি
হয়তো তার থেকে ভালো কিছু পারো।
কিন্তু তার মত না।
আমার থেকে ভালো আর্ট বা বুদ্ধি তুমি
দিতে পারবে।
কিন্তু আমার মত বাজে আর্ট
বা বাজে বুদ্ধি তোমার নাই।
তাই আমার রাজ্যে আমিই সেরা।
(নিজেই রাজা)
আলহামদুলিল্লাহ।
আজকের দিনটি অনেক (হ্যাপি) একটা দিন ছিলো। এই বছরের ২০ দিনের আমার সেরা দিনটি ছিলো আজকে।
প্রথমেই একটা মানুষকে ধন্যবাদ।😘😘
শুধুই ধন্যবাদ নয়। সাথে অনেক অনেক ভালোবাসা। ❤❤❤
ভাইয়া, বিশ্বাস করেন আপনাকে অনেক ভালোবাসি। ❤❤
যখন, থেকে আমি এই পথে পা দিয়েছিলাম, তখন শুধু
আপনিই এক মাত্র ব্যাক্তি ছিলেন, আমাকে (মোটিভেশন) দেয়ার জন্য।
অনেকে অনেক কথা বলছে। 😓
মাঝেমধ্যে বন্ধুদের ট্রোলের শিকার হয়েছি।
বিভিন্ন কথা শুনতে হয়েছে।
অনেকে বলতেন,
সফল হওয়ার পর তাদেরকে বলতাম।
আজকে আমি সফল।
আমি (আউটসোর্সিং) করে সামান্য হলেও আয় করতে পেরেছি। 🙌🙌
অবশ্য, আমার এই কাজে আমার (বাবা-মার) ও কিছুটা (সাপোর্ট) ছিলো। ❤❤
তারা প্রথমে বিশ্বাস করতো না।
পৃথিবীতে কেউ অনলাইনে আয় করতে পারে।
বা ঘরে বসে ইনকাম করতে পারে..!
তবে, আমি একটা মানুষের উদাহরণ তাদের দেখাতাম। আর, সেই মানুষটা হলো।
(তানভীর ভাই)। তারপর থেকে তারা কিছুটা দুর্বল হলো।
সে, শুধু ভাই নয়! সে একজন মোটিভেশন লোক।
আমি এই ফ্রিল্যান্সিং কথার সাথে পরিচিত হই ২০১৬ তে।
তখন আমি (এসএসসির) ছাত্র ছিলাম।
যখন আমি কলেজ লাইফে পা রাখি (মানি)
(এইচ.এস.সি) প্রথম বর্ষের স্টুডেন্ট ছিলাম।
তখন, আমি মোবাইল দিয়ে আমার নামে একটা ওয়েবসাইট খুলি & ৩৬ টাকা ইনকাম করি।
এবং তা আমি সরাসরি মোবাইল রিচার্জ করে নিয়ে নেই।
তখন আমার বিশ্বাস দিগুণ বেড়ে যায়।
তখন থেকে আমি একটা প্রতিজ্ঞা করি, এবং একটা স্বপ্ন দেখি আমি জীবনে একবার হলেও ফ্রিল্যান্সার হবো।
এবং তারপর থেকে এই স্বপ্ন আমাকে আর বসে থাকতে দেয়নি।
তারপর থেকে শুধু চেষ্টা করে যেতাম, শিখার জন্য।
তারপর হঠাৎ একদিন ল্যাপটপ নিয়ে সে মহান ভাইয়ের কাছে যাই।
এবং কাজ শিখতে থাকি।
ভাই, আমাদের যথেষ্ট হেল্প করতো। তারপর বাসায় এসে সারারাত জেগে বেষ্ট ট্রাই করতে থাকি।
এমনও রাত গেছে, সারারাত সজাগ থাকতে হয়ছে।
তবে, একটা কথা সবসময় মনে রাখতাম।
এখানে ধৈর্য এবং পরিশ্রম ছাড়া কেউ সফল হয়নি। আর, হবেও না।
আর, সবচেয়ে বড় বিশ্বাস ছিলো আমি পারবো।
হাল ছাড়িনি।
আজকের দিনটি অনেক (হ্যাপি) একটা দিন ছিলো। এই বছরের ২০ দিনের আমার সেরা দিনটি ছিলো আজকে।
প্রথমেই একটা মানুষকে ধন্যবাদ।😘😘
শুধুই ধন্যবাদ নয়। সাথে অনেক অনেক ভালোবাসা। ❤❤❤
ভাইয়া, বিশ্বাস করেন আপনাকে অনেক ভালোবাসি। ❤❤
যখন, থেকে আমি এই পথে পা দিয়েছিলাম, তখন শুধু
আপনিই এক মাত্র ব্যাক্তি ছিলেন, আমাকে (মোটিভেশন) দেয়ার জন্য।
অনেকে অনেক কথা বলছে। 😓
মাঝেমধ্যে বন্ধুদের ট্রোলের শিকার হয়েছি।
বিভিন্ন কথা শুনতে হয়েছে।
অনেকে বলতেন,
সফল হওয়ার পর তাদেরকে বলতাম।
আজকে আমি সফল।
আমি (আউটসোর্সিং) করে সামান্য হলেও আয় করতে পেরেছি। 🙌🙌
অবশ্য, আমার এই কাজে আমার (বাবা-মার) ও কিছুটা (সাপোর্ট) ছিলো। ❤❤
তারা প্রথমে বিশ্বাস করতো না।
পৃথিবীতে কেউ অনলাইনে আয় করতে পারে।
বা ঘরে বসে ইনকাম করতে পারে..!
তবে, আমি একটা মানুষের উদাহরণ তাদের দেখাতাম। আর, সেই মানুষটা হলো।
(তানভীর ভাই)। তারপর থেকে তারা কিছুটা দুর্বল হলো।
সে, শুধু ভাই নয়! সে একজন মোটিভেশন লোক।
আমি এই ফ্রিল্যান্সিং কথার সাথে পরিচিত হই ২০১৬ তে।
তখন আমি (এসএসসির) ছাত্র ছিলাম।
যখন আমি কলেজ লাইফে পা রাখি (মানি)
(এইচ.এস.সি) প্রথম বর্ষের স্টুডেন্ট ছিলাম।
তখন, আমি মোবাইল দিয়ে আমার নামে একটা ওয়েবসাইট খুলি & ৩৬ টাকা ইনকাম করি।
এবং তা আমি সরাসরি মোবাইল রিচার্জ করে নিয়ে নেই।
তখন আমার বিশ্বাস দিগুণ বেড়ে যায়।
তখন থেকে আমি একটা প্রতিজ্ঞা করি, এবং একটা স্বপ্ন দেখি আমি জীবনে একবার হলেও ফ্রিল্যান্সার হবো।
এবং তারপর থেকে এই স্বপ্ন আমাকে আর বসে থাকতে দেয়নি।
তারপর থেকে শুধু চেষ্টা করে যেতাম, শিখার জন্য।
তারপর হঠাৎ একদিন ল্যাপটপ নিয়ে সে মহান ভাইয়ের কাছে যাই।
এবং কাজ শিখতে থাকি।
ভাই, আমাদের যথেষ্ট হেল্প করতো। তারপর বাসায় এসে সারারাত জেগে বেষ্ট ট্রাই করতে থাকি।
এমনও রাত গেছে, সারারাত সজাগ থাকতে হয়ছে।
তবে, একটা কথা সবসময় মনে রাখতাম।
এখানে ধৈর্য এবং পরিশ্রম ছাড়া কেউ সফল হয়নি। আর, হবেও না।
আর, সবচেয়ে বড় বিশ্বাস ছিলো আমি পারবো।
হাল ছাড়িনি।
আজকে আমি সফল।
আজকে, আমি একজন ফ্রিল্যান্সার।
ফ্রিল্যান্সিং করেই আয় করেছি।
সামান্য হলেও এই আউটসোর্সিং করেই আয় করেছি এটাই বড় কথা।
তবে, হাল ছাড়িনি, আর হাল ছাড়বোও না।
বর্তমানে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট শিখতেছি।
হয়তো সফলতা আসতে একটু দেরি হবে।
তবে, এটা সত্যি সফল হবোই। ইনশাআল্লাহ।
সবাই দোয়া করবেন।
ভাইয়া, আপনাকে অনেক বিরক্ত করি। ছোট ভাই হিসেবে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
ভাইয়া, দেখবেন আপনার শীর্ষ একদিন অনেক বড় ফ্রিল্যান্সার হবে। শুধু একটু দোয়া করবেন।
আজকে, আমি একজন ফ্রিল্যান্সার।
ফ্রিল্যান্সিং করেই আয় করেছি।
সামান্য হলেও এই আউটসোর্সিং করেই আয় করেছি এটাই বড় কথা।
তবে, হাল ছাড়িনি, আর হাল ছাড়বোও না।
বর্তমানে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট শিখতেছি।
হয়তো সফলতা আসতে একটু দেরি হবে।
তবে, এটা সত্যি সফল হবোই। ইনশাআল্লাহ।
সবাই দোয়া করবেন।
ভাইয়া, আপনাকে অনেক বিরক্ত করি। ছোট ভাই হিসেবে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
ভাইয়া, দেখবেন আপনার শীর্ষ একদিন অনেক বড় ফ্রিল্যান্সার হবে। শুধু একটু দোয়া করবেন।
